রাজশাহী পরিচ্ছন্ন, শান্ত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে ভরপুর একটি শহর। এর মধ্যে কুমারপাড়া এলাকা হচ্ছে এমন একটি স্থান, যা শহরের প্রাণকেন্দ্রে আবার শান্ত পরিবেশের জন্য বসবাসের দিক থেকেও আদর্শ। এই এলাকায় ফ্ল্যাট কেনা মানে কেবল একটি ছাদ বা সম্পদ অর্জন নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের নিরাপদ বিনিয়োগ, বসবাসের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, এবং শহরের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট সংযোগের একটি সুযোগ। এই আলোচনায় আমরা দেখব কুমারপাড়ার ভৌগলিক গুরুত্ব, নাগরিক সুবিধা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, এবং ভবিষ্যত মূল্যায়নের দিকগুলো। আশা করছি, আলোচনা শেষে কুমারপাড়ায় ফ্ল্যাট কেনার যৌক্তিকতা আরও পরিষ্কার হবে এবং আপনারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন।
মহল্লা পরিচিতি কুমারপাড়া রাজশাহী শহরের পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।রাজশাহী শহরের প্রাচীন এই এলাকায় এক সময় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হিন্দু মানুষের বসবাস ছিল এই এলাকায় কুমার এবং ঘোষদের দেখা যেত যা সময়ের পরিক্রমায় প্রায় বিলুপ্ত। এই কুমারদের বসবাসকে ঘিরেই এই এলাকার নামকরন হয়েছে বলেই লোকমতে প্রচলিত। বর্তমানে এই এলাকা এক ভিন্ন রূপ ধারন করেছে। ভৌগোলিক দিক দিয়ে এই এলাকার অবস্থান পদ্মা নদীর উত্তর দিকে রাজশাহী শহরের সবথেকে বড় বাজার এবং বলা চলে রাজশাহীর রাজধানী সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট এবং এর দক্ষিনে পদ্মা নদী এবং পূর্ব দিকে আলুপট্টি এবং এর পশ্চিমে আরডিএ মার্কেট রাজশাহী কলেজ ও শাহ মখদুম রূপোশ এর দর্গা ও দরগাপাড়া।এই এলাকার আবস্থান এই এলাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।বর্তমানে শুধুমাত্র এই এলাকার অবস্থান এর কারনে অনেক রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এই এলাকা নিয়ে কাজ শুরু করেছে এবং অনেক কোম্পানী কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাস্তা এবং ড্রেনেজ সিস্টেম কুমারপাড়া এলাকার রাস্তা খুব বেশী প্রসস্ত না হলেও অনায়াসে একাধিক কার অথবা একাধিক মিনি পিকআপ চলাচল সম্ভব। এই এলাকার রাস্তা পাকা এবং প্রতিটি রাস্তা একাধিক রাস্তার সাথে সংযুক্ত। পাড়ার ভিতরের রাস্তা অতটা প্রসস্ত না হলেও এলাকার আশে পাশের মেন রাস্তাগুলো চার লেন বিশিষ্ট সুপ্রস্ত। এই এলাকার ড্রেনেজ ব্যাবস্থা খুবই সুন্দর একদম পাশে পদ্মা নদী হওয়ার কারনে এই এলাকায় কখন ও জলাবদ্ধতা লক্ষ্য করা যায়না।অতি বৃষ্টিতে এখানে কখনই ভোগান্তির শিকার হতে হয় না।
সামাজিক নিরাপওা ও শান্তিপূর্ণপরিবেশ রাজশাহীর কুমারপাড়া একটি ঐতিহ্যবাহী ও শান্তিপূর্ণ আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত হচ্ছে দিনে দিনে। এই এলাকাটি সাধারণত সংস্কৃতি, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী এবং সামাজিক সম্প্রীতির জন্য প্রশংসিত। এখানে সামাজিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকার কিছু বিশেষ দিক রয়েছে।স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বাসিন্দাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ যার কারনে অপরাধপ্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম।এলাকাবাসীরা নিজ উদ্যোগে নিজ নিজ বাসাবাড়ীতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও রাতের প্রহরার ব্যবস্থা নিয়েছেন অনেক স্থানে।বিভিন্ন এনজিও এবং স্থানীয় ক্লাব বা সংগঠন অসহায়দের সহায়তা করে, যা সামাজিক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।এলাকাবাসীরা অপরিচিত কাউকে সন্দেহজনক মনে করলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও প্রশাসনের সহায়তা নেন। এই এলাকার সকলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে। রাজশাহী কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি হওয়ায়, এলাকাটি শিক্ষিত ও সচেতন জনগণের আবাসস্থল হিসাবে ইতি মধ্যে পরিচিতি লাভ করে।অনেক এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখেন। আশেপাশের পরিবেশ এর উন্নয়নকল্পে নিয়মিত ময়লা অপসারণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও দেখা যায়।পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বইপড়া প্রতিযোগিতা, স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবস পালন করা হয়, যা সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে। এছাড়া তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য এই এলাকার সকলকে উৎসাহিত করা হয়।নারী এবং শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার করা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু রাখা হয়েছে।পদ্মা নদীর পাড় এবং পদ্মা গার্ডেন এর কাছাকাছি হওয়ায় এইখানে প্রতিদিন বাইরের অনেক পর্যটক এর আনাগোনা হয়ে থাকে, একারনে এই এলাকার সকলকে অধিক সচেতন থাকতে হয় যেকোন প্রকারের অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে।
বাজার ও কেনাকাটারসুবিধা কুমারপাড়া একেবারেই রাজশাহী সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট এর সংলগ্ন হওয়ার কারনে রাজশাহী শহরের আধুনিক জীবনের সকল রকম সুবিধা খুব সহজেই এইখানে পাওয়া যায়। রাজশাহী শহরের সকল বড় দোকান ও মার্কেট গুলা এই কুমারপাড়ারকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে । পাশেই রয়েছে রাজশাহী আরডিএ মার্কেট যা রাজশাহী শহরের সব থেকে বড় নিত্যদিনের প্রয়োজনের মার্কেট যেখানে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় প্রায় সকল কিছু পাওয়া যায় এছাড়া কুমারপাড়া মোড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্র্যান্ডশপ আড়ং এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ড লারিভ এবং টুয়েল্ভ এর ও দেখা মেলে একে বারে কুমারপাড়া মোড়ের ওপরেই। গণকপাড়া ও সাহেববাজার এলাকায় এমন অনেক দোকান রয়েছে বিশেষ করে ঈদ এবং উৎসবকালে জমজমাট হয়ে ওঠে। আরডিএ মার্কেটের পাশেই রয়েছে রাজশাহীর সর্ব বৃহৎ কাচা বাজার যেখানে রাজশাহীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতি দিন টাটকা সবজি ভোর বেলায় নিয়ে আসা হয় । আসলে বলতে গেলে এই এলাকা রাজশাহীর প্রান কেন্দ্রর একদম পাশে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সব কিছু এইখানে অতি সহজে পাওয়া সম্ভব। এইখানকার ঔষধের দোকান গুলো গভীর রাত অব্দি খোলা থাকে এবং প্রায় সব ধরনের ওষধ পাওয়া যায় । ইলেকট্রনিক্স ও ঘরোয়া যন্ত্রপাতি কেনাকাটার জন্য কুমারপাড়া অনেক আগে থেকেই সুপরিচিত। বেশ কিছু অলঙ্কার, পাম্প ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি পাওয়া যায় এই কুমার পাড়া মোড়ে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সন্তানদের সুশিক্ষিত করার জন্য অনেক অভিভাবক স্বপরিবার এ কুমারপাড়া এলাকায় বসবাস শুরু করেছে কারন এটি এমন একটি এলাকা যেখান থেকে প্রায় রাজশাহীর অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যথেষ্ঠ কাছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর কারনে ও কুমারপাড়ায় ফ্ল্যাটের চাহিদা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। এই এলাকা থেকে পায়ে হাটা দূরত্বে রয়েছে রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহী পি এন গার্লস স্কুল এবং মুন্নুজান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এই কুমারপাড়াতেই অবস্থিত। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই এলাকার কাছাকাছি হওয়ার কারনে খুব অল্প সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া সম্ভব। এছাড়া বিভিন্ন প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টার রয়েছে এই এলাকায় এবং এই এলাকাকে ঘিরেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
পার্ক/মাঠ ও বিনোদন কুমারপাড়ায় যারা বসবাস করেন তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা পদ্মা নদীর পাড়। এখানে নির্মল বাতাস এবং বিকেলে এর পাড়ে হাটাহাটির সুবিধা। এখানে রাজশাহী বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেড়ানোর জন্য প্রতিনিয়ত মানুষ আসে এক কথায় বলতে গেলে রাজশাহীতে যারা বেড়াতে আসে তারা এক বার হলেও পদ্মা নদীর পাড় ঘুরে দেখে যায়।।কুমারপাড়ায় বিনোদন এর সব থেকে বড় মাধ্যম হল পদ্মা গার্ডেন নদীর নির্মল বাতাস অবসর সময়ে সকল বয়স এর মানুষ এইখানে সময় কাটায়। কুমারপাড়া থেকে ১০ মিনিটের দূরত্বে রয়েছে রাজশাহী জাতীয় শিশুপার্ক। কুমারপাড়া এলাকায় একাধিক খেলার মাঠের দেখা মিলে মুন্নুজান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মাঠ বড়কুঠির সামনের সুবিশালখেলার মাঠ কুমারপাড়া লাগোয়া রাজশাহী কলেজের মাঠ। এই এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন বয়সের মানুষদের প্রতিদিন বিকেলে এই সকল মাঠে খেলাধুলা করতে দেখা যায়। এছাড়া দিবারাএী বিভিন্ন টুর্নামেন্ট সকল মাঠে অনেক দিন যাবত হয়ে আসছে। বিশেষ করে শীতকালে পদ্মা নদীর চরে বন্ধু বান্ধব নিয়ে বিভিন্ন খেলা্র আয়োজন করে এবং সেখানে পিকনিকও করে থাকে আরও পরিষ্কার করে বলতে গেলে পদ্মার চর এবং পদ্মারপাড় এই এলাকায় বসবাসরত মানুষ নিজের বাড়ির আংগিনার মত ব্যাবহার করে থাকে। কুমারপাড়ার বসবাসরত সকলের জন্য এ এক বাড়তি সুবিধা এবং তাদের জন্য পদ্মার পাড় সুস্থ বিনোদন এর মধ্যে অন্যতম। এই সকল বিষয় মাথায় রেখে বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানী প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আবাসিক ভবন এর ভিত্তি প্রস্তর উন্মোচন করছে। একথায় বলতে গেলে কোম্পানী গুলোর পছন্দের তালিকার শীর্ষে অন্যতম একটি এলাকা এখন কুমারপাড়া ।
জরুরী সেবা কুমারপাড়ার অবস্থানগত দিক দিয়ে এই এলাকায় জরুরী সেবা নিশ্চিত করা খুবই সহজ। কুমারপাড়া থেকে থানা পায়ে হাটা দূরত্বে। জরুরী যে কোন প্রয়োজনে খুব কম সময়ের মধ্যে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন সম্ভব। এই মহল্লায় সার্বক্ষনিক একাধিক পুলিশি টিম টহল থাকে এবং সামাজিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে এবং আইনগত যেকোন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিয়ে থাকে । কুমারপাড়া থেকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এর দূরত্ব মাত্র ১ কিঃ মিঃ এর কারনে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে বড় যে কোন বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কুমারপাড়া থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দূরত্ব মাত্র ২ কিঃমিঃ অথবা তার থেকেও কম। যে কোন প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় যাওয়া সম্ভব যে বিষয়টি সর্বচ্চো গুরুত্বপূর্ন।
যোগাযোগ ব্যাবস্থা কুমারপাড়া থেকে রাজশাহী বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও শাহমখদুম বিমানবন্দর সহজেই পৌঁছানো যায় যা দূরপাল্লার যাতায়াতকে ঝামেলামুক্ত করে। মূলত এখান থেকে এয়ারপোর্ট এর দূরত্ব ১০ কিঃমিঃ কিন্তু সম্পুর্ন রাস্তা আধুনিক হওয়ায় ১২ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছানো সম্ভব। এখান থেকে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন এর দূরত্ব মাত্র ২ কিঃমিঃ যা অতি দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব। কুমারপাড়া এলাকা থেকে রাজশাহীর যে কোন প্রান্তে সার্বক্ষনিক যাতায়াত ব্যাবস্থা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নাই।
বিনিয়োগের সুযোগ কুমারপাড়া মহল্লাটি সুন্দরভাবে পরিকল্পিত এবং পরিচ্ছন্ন বর্তমানে তবে এই এলাকা এক সময় এত সুশৃন্খল ছিলনা এক সময় রাজশাহীর মধ্যবিত্ত শ্রেনীর বসবাস ছিল এই এলাকায়। শহরের কেন্দ্র থেকে মাত্র ১ কিমি দূরত্বে হওয়ায় যাতায়াত ও শহরের সাথে সংযোগ খুবই সহজ একারনে এই এলাকায় ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ খুবই অসাধারন হতে পারে । এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে বিভিন্নকোম্পানী এই এলাকায় বিনিয়োগ করে এক বিশাল সাফ্যল্যের মুখ দেখেছেন যা দারুনভাবে চলমান রয়েছে। এই খাতে নিশ্চিন্ত এবং পরে সুন্দর একটি রির্টানের আশা রাখা যায়।
ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন রাজশাহীর কুমারপাড়া এক নতুন বসবাস এর জন্য আদর্শ এলাকা এই এলাকার রেডি ফ্ল্যাটের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলছে ভবিষ্যতে ফ্ল্যাটের মূল্য ও ভাড়ার চাহিদা আরও বাড়বে যা বিনিয়োগের জন্য আদর্শ। এই এলাকা সংলগ্ন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সাহেববাজার এর খুব কাছাকাছি হওয়ায় এই এলাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই এলাকার রাস্তা এই এলাকার সাথে শহরের যে কোন অংশের দূরত্ব একে বারেই কমিয়ে এনেছে । রাজশাহী কুমারপাড়া একটি আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক বসবাসের স্থান। উন্নত অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সব সুবিধা একসাথে পাওয়ার জন্য এখানে ফ্ল্যাট কেনা শুধু আপনার পরিবারের জন্য সুখময় জীবন নিশ্চিত করবে না, বরং এটি একটি লাভজনক বিনিয়োগও হবে।
সংক্ষেপে বললে-
• এলাকাটি শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত।
• এলাকার সকল দিকে প্রশস্ত রাস্তা ও সার্বক্ষনিক যাতায়াতের সুবিধা।
• একেবারেই হাতের নাগালে জরুরী সেবা (হাসপাতাল/ফায়ার/পুলিশ)
• এলাকা সংলগ্ন একাধিক বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
• এলাকা সংলগ্ন একাধিক খেলার মাঠ।
• এলাকায় সিসিটিভি থাকায় নিরাপওা ব্যাবস্থা যথেষ্ঠ সুন্দর।
• এখানে বড় বড় ব্রান্ড শপ ও একধিক সুপার শপ এর দেখা মেলে।